সাধারণ প্রসবের পরে সেলাই: কিভাবে যত্ন নেবেন এবং সুস্থ হবেন

সাধারণ প্রসবের পরে সেলাই

স্বাভাবিক প্রসবের পরে সেলাই খুবই সাধারণ এবং প্রথমবারের মতো মা হওয়া মহিলাদের ক্ষেত্রে এটির অভিজ্ঞতা হতে পারে। আবস্ট্রেটিশিয়ান্রা প্রকাশ করেন যে স্বাভাবিক প্রসবের সময়, যোনির প্রাচীর কিছু ছিদ্র সাধারণত করা হয়। অতএব, প্রাচীর আরও ভঙ্গ যাতে না হয় এবং সম্ভবত সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সেলাই প্রয়োজন হয়।

aniview

সেলাই সাধারণত শুরুতে ব্যথা করে এবং নিরাময় শুরু হওয়ার সাথে সাথে সেই জায়গায় চুলকানি শুরু হতে পারে। সামান্য অতিরিক্ত যত্ন নেওয়া এই সময় প্রয়োজন হয়, যাতে এতে সংক্রামন না হয় এবং পরবর্তীকালে জটিলতা সৃষ্টি না করে। স্বাভাবিক প্রসবের পরে, সাধারণত ব্যথা হয় এবং ফুলে থাকে। সুতরাং, যোনির পুনরুদ্ধার এবং সম্পূর্ণরূপে নিরাময়ের জন্য সেলাই প্রয়োজন এবং এর সাহায্য করার জন্য সঠিক যত্ন অপরিহার্য।

কেন আপনার সন্তানের জন্মের পরে সেলাই দরকার?

প্রসবের সময়, শিশু জন্ম খাল বা যোনির মধ্যে দিয়ে বেরোয়। যদিও এই এলাকাটি প্রসারিত হয় এবং শিশুর আকার অনুযায়ী প্রসারিত হতে পারে, তবে মাঝে মাঝে শিশুর আরো স্থান প্রয়োজন হতে পারে। যখন এমনটা হয়, পেরিনিয়াম (মলদ্বার এবং যোনির মধ্যেকার এলাকা) তার ক্ষমতা অতিক্রম করতে পারে এবং প্রক্রিয়ায় কিছুটা ছিঁড়ে যেতে পারে। কিছু ছেঁড়া ত্বকের বেশি গভীরে হয় না এবং স্বাভাবিকভাবেই নিরাময় হতে পারে। যাইহোক, কিছু ছেঁড়া গুরুতর হতে পারে, পেশীর টিস্যুও এতে জড়িত হত পারে এবং যথেষ্ট রক্তপাত ও উল্লেখযোগ্য ব্যথা হতে পারে। অতএব, এগুলিতে সেলাই প্রয়োজন।

কিছু ক্ষেত্রে, মহিলাদের এপিজিয়েটমি সহ্য করতে হতে পারে। একটি এপিজিয়েটমি হল একটি সার্জারি, যা সাধারণ প্রসবের সময় শিশুর বেরিয়ে আসা সহজ করার জন্য এবং প্রসবের সময় টিস্যু ছিঁড়ে যাওয়া আটকানোর জন্য যোনির খোলা অংশ বিস্তৃত করতে করা হয়। এমন ক্ষেত্রে, সেলাইও প্রয়োজন হয়।

কখন একটি ছেঁড়ার সেলাই প্রয়োজন?

টিস্যু ছিঁড়ে সাধারণত প্রথমবার মা হওয়া মহিলার ক্ষেত্রে প্রসবের সময় ঘটে। ছেঁড়া ব্যাপকভাবে তীব্রতা ভিন্ন হতে পারে। ছিঁড়ে যাওয়াকে মূলত চার শ্রেণীতে বিভক্ত করা যেতে পারে:

1. প্রথম ডিগ্রীর ছেঁড়া

কিছু ছেঁড়া এত ​​ছোট হতে পারে যে তারা কোনও চিকিৎসা ছাড়াই নিজে নিজে নিরাময় হতে পারে। এগুলি উপরের দিকে হয় কারণ এগুলি শুধুমাত্র পেরিনিয়ামের ত্বক এবং যোনির খোলা অংশের বাইরের স্তরএ হয়। এগুলিতে প্রায়ই কোন সেলাই প্রয়োজন হয় না এবং দ্রুত নিরাময় হয়।

2. দ্বিতীয় ডিগ্রীর ছেঁড়া

কিছু ছেঁড়া চামড়ার নীচের পেশী পর্যন্ত গভীরে প্রসারিত হয়। এইক্ষেত্রে ত্বকের স্তর সেলাই করার প্রয়োজন হয়। এগুলি সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় নেয় নিরাময় হতে।

3. তৃতীয় ডিগ্রীর ছেঁড়া

কিছু ছেঁড়া বেশি গুরুতর হয় এবং পেরিনিয়াল টিস্যু ও পেশীগুলির মধ্য দিয়ে গভীর পায়ুদ্বারের গোলাকার পেশী (মলদ্বারের চারপাশে পেশী) পর্যন্ত গভীরে প্রসারিত হতে পারে। এগুলিতে স্পষ্টভাবেই সেলাই প্রয়োজন এবং কয়েক মাসের জন্য উল্লেখযোগ্য ব্যথা হতে পারে। এই ছেঁড়াগুলি আপনাকে মলদ্বারের অনিয়ন্ত্রনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে (মলেরঅনিয়ন্ত্রিতভাবে বের হওয়া)।

4. চতুর্থ ডিগ্রীর ছেঁড়া

এটি একটি গুরুতর ছেঁড়া যা মলদ্বারের চারপাশে পেশী এবং মলদ্বার পর্যন্ত এটির টিস্যুগুলির মাধ্যমে আরও গভীরে যায়। এই ছেঁড়া সেলাই করতে একটি ছোট অপারেশন প্রয়োজন হতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে, মূত্রনালীর কাছে যোনির উপরে একটি সামান্য ছেঁড়া দেখা দিতে পারে। এই ছেঁড়া সাধারণত খুব ছোট হয় এবং কয়েকটা মাত্র সেলাই প্রয়োজন হতে পারে বা কখনও হয় না। এগুলি সাধারণত পেশী পর্যন্ত পৌঁছায় না, অতএব খুব দ্রুত নিরাময় হয়। মূত্রত্যাগের সময় এগুলি অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

সেলাই কিভাবে সম্পন্ন হয়

যদি এটি একটি ছোটখাট ছেঁড়া হয়, যেখানে আপনার প্রসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় সেই ঘরেই সেলাই করা যেতে পারে। একটি লোকাল অ্যানেসথেটিসের পর, সংশ্লিষ্ট এলাকাকে অসাড় করে, “চলমান সেলাই” দিয়ে ছেঁড়া অংশ বন্ধ করে দেবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, দ্রবীভূত হতে পারে এমন সেলাই ব্যবহার করা হয়, কারণ এগুলি নিরাময় করার জন্য কেটে বের করে আনার প্রয়োজন হয় না।

প্রসব সম্পন্ন হয় সেই ঘরেই সেলাই করা যেতে পারে

এপিজিয়োটমি অথবা দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় ডিগ্রীর ছেঁড়ার ক্ষেত্রে, যেখানে ছেঁড়াটি পেশী থেকে চামড়া মধ্যে গভীরে প্রবেশ করে, রোগীকে সাধারণত একটি অপারেটিং থিয়েটারে স্থানান্তর করা হয়। অবেস্ট্রিসিয়িয়ান এপিডিউরালের (মেরুদণ্ড) মাধ্যমে বা স্থানীয় কিছু অ্যানাসথেটিকের মাধ্যমে লোকাল অ্যানেসথেটিক দিতে পারেন, এটি ক্ষতের ডিগ্রীর উপর নির্ভর করে এবং তারপরে পেরিনিয়াম সেলাই করা হয়। জরায়ু খালি করার জন্য একটি পাতলা নল (ক্যাথেটার) মূত্রাশয়ে স্থাপন করা হতে পারে। এটি পেরিনিয়ামকে দ্রুত নিরাময় করতে সক্ষম করবে। সাধারণত, এপিজিয়োটমি সেলাই শোষণযোগ্য বা দ্রাব্য সেলাই হয়।

এটা নিরাময় হতে কত সময় নেয়?

স্বাভাবিক প্রসবের সেলাইয়ের নিরাময়ের সময় সাধারণত কম, বিশেষ করে যদি ভাল যত্ন নেওয়া হয়। স্বাভাবিক এপিজিয়োটমির ক্ষেত্রে, সাধারণত একটি ছোট চক্র জড়িত, নিরাময় পদ্ধতি সাধারণত প্রসবের পর ২-৩ সপ্তাহ সময় নেয়। কিন্তু এই প্রক্রিয়া বিভিন্নজনের মধ্যে পৃথক হতে পারে। এছাড়াও, ছেঁড়া বৃহত্তর হলে, নিরাময় হতে আরো সময় নিতে পারে। ব্যথা এক সপ্তাহ পরে হ্রাস হতে পারে কিন্তু অস্বস্তি এক মাস বা তার পরও চলতে পারে।

গভীরতর সেলাইগুলির সাথে জড়িত আরও গুরুতর ছেঁড়া নিরাময় হতে আরও বেশি সময় লাগতে পারে। সম্পূর্ণরূপে নিরাময় হতে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। ব্যথা প্রায় এক মাসের জন্য অনুভূত হতে পারে। সেলাই নিরাময় শুরুর সময় প্রায়ই চুলকানি শুরু হয়। সেলাইয়ের অগ্রগতির নিরীক্ষণের জন্য ৬ সপ্তাহের মধ্যে ডাক্তারের সাথে একটি চেকআপ সময়সূচী নির্ধারণ করা ভাল ধারণা হতে পারে।

কিভাবে আপনি ব্যথাযুক্ত এলাকাকে প্রশমিত করতে পারেন?

নিরাপদ পেইনকিলার বেছে নিতে পারেন

একটি স্বাভাবিক প্রসবের পরে সেলাই মোটামুটি বেদনাদায়ক হতে পারে। নিম্নোক্ত কিছু জিনিস এগুলিকে প্রশমিত করার জন্য করা যেতে পারে:

  • ঠান্ডা জলপূর্ণ একটি টাবের মধ্যে বসা শুধুমাত্র ব্যথাযুক্ত সেলাইকে ঠাণ্ডা করতে সাহায্যি করে না, পাশাপাশি ফোলাভাবও কমায়। একটি নরম, পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে পরে এলাকাটি শুকাতে মনে রাখবেন। অন্যথায়, একটি ঠান্ডা কমপ্রেসর বা একটি জেল প্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • ব্যথা অনুভব করার সময় বসে থাকলে, আপনি রিং-আকৃতির ফোলানো যায় এমন বালিশ বা ভ্যালি কুশন ব্যবহার করুন যা বিশেষভাবে বসার সময় সান্ত্বনা প্রদান করার জন্য ডিজাইন করা হয়।
  • মলত্যাগ করার সময় আপনার পেরিনিয়াম থেকে চাপ উপশম করতে, আস্তে আস্তে সেলাইয়ের উপর একটি পরিষ্কার প্যাড টিপুন।
  • প্রস্রাব করার সময় আপনি যদি অস্বস্তি বোধ করেন তবে আপনি জ্বালার অনুভূতি সহজ করতে এলাকাটিতে উষ্ণ জল আস্তে আস্তে দিতে পারেন।
  • স্বাভাবিক প্রসবের সেলাইতে সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পেরিনিয়াম এবং যোনির এলাকা পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখার কথা মনে রাখবেন।
  • ব্যথা মোকাবেলা করার জন্য আপনি নিরাপদ পেইনকিলার বেছে নিতে পারেন তবে প্রথমে এই বিষয়ে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

দ্রুত সুস্থ হওয়ার টিপস

এখানে টিপসগুলির একটি তালিকা দেওয়া হল যা দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করতে পারে:

  • সেলাইয়ের উপর কিছু ল্যাভেন্ডার তেল লাগানো ব্যথা থেকে ত্রাণ সরবরাহ করতে পারে কারণ ল্যাভেন্ডার তেলে অসাধারণ অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
  • প্রস্রাবের পরপরই আপনার যোনিকে জল দিয়ে ধৌত করে পরিষ্কার করুন এবং আপনি নীচের দিক থেকে সাবধানে পরিষ্কার করুন।
  • ১০-১৫ মিনিটের জন্য প্রতিদিন তাজা বাতাসে খোলা রাখলে সেলাইগুলি দ্রুত শুকানোতে সহায়তা করে।
  • উষ্ণ জল এবং অ-সুগন্ধিযুক্ত, মৃদু সাবান দিয়ে সেলাই পরিষ্কার করার কথা মনে রাখবেন।
  • ১৫-২০ মিনিটের জন্য উষ্ণ জলের এক টাবে ডুবে থাকা, দিনে কয়েকবার করলে ব্যথা সহজে সহায়ক হতে পারে।
  • আপনার খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার অন্তর্ভুক্ত করুন, সুষম খাবার খান এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে প্রচুর জল পান করুন।
  • ভারতীয় স্টাইলের পরিবর্তে কমোড স্টাইল টয়লেটগুলি ব্যবহার করা বেশি ভালো হতে পারে যাতে সেলাইয়ে অপ্রয়োজনীয় চাপটি এড়ানো যায়।
  • নিয়মিত অল্প হাঁটা এবং কিছু পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম করা রক্ত ​​সংবহনকে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে যা নিরাময়ের প্রক্রিয়াটি দ্রুততর করতে পারে।
  • শৌচাগার ব্যবহার করার পর এবং মাতৃত্ব প্যাড পরিবর্তন করার আগে সংক্রমণের বিস্তার প্রতিরোধের জন্য হাত ধোয়া উচিত।
  • সেলাইতে অযথা চাপ এড়ানোর জন্য ওজন উত্তোলন এবং কঠোর কঠোর ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকুন।
  • সম্ভাব্য সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য যোনির এলাকাকে শুকনো এবং পরিষ্কার করে যথাযথ ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। মাতৃত্বের প্যাডগুলি প্রায়শই পরিবর্তন করুন এবং যত্ন নিন যে সেলাইতে এর কারণে তীব্র ব্যথা বা চুলকানি যেন না হয়।

আপনি কি সেলাই থাকার এড়াতে পারেন?

বেশিরভাগ চিকিৎসক স্বাভাবিক প্রসবের জন্য বিশেষ করে প্রথমবার মা হওয়া মহিলাদের ক্ষেত্রে একটি এপিজিইয়োটমিতে যেতে চান। তবুও, যদি আপনি সেলাই করা এড়িয়ে যেতে চান তবে ডাক্তারের কাছে আপনার বিকল্পগুলি নিয়ে আলোচনা করা ভাল।

গর্ভধারণের সময় প্রতিদিন পেরিনিয়াম মালিশ করার মতো কিছু জিনিস রয়েছে, যেগুলি প্রসবের সময় গুরুতর ছেঁড়ার ঝুঁকির সম্ভাবনা হ্রাস করার জন্য চেষ্টা করা যেতে পারে, যা প্রসবের সময় পেরিনিয়ামে একটি উষ্ণ সংকোচন প্রয়োগ করে। আপনি আপনার প্রিন্যাটাল প্রশিক্ষককে যথাযথ স্কোয়াটিং এবং পেলেভিক ফ্লোরের ব্যায়াম বা যোগব্যায়ামের মাধ্যমে পেশীকে শক্তিশালী করতে ও ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির জন্য আপনাকে কিছু যোগব্যাম দেখাতে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

এটা কি ভবিষ্যতে সমস্যার কারণ হবে?

প্রসবের পর সেলাইয়ের সঠিকভাবে যত্ন নেওয়ার বিষয়টি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে এগুলি নিরাপদে থাকে এবং সম্পূর্ণরূপে নিরাময় হয়। কিছু মহিলা যৌনসঙ্গমের সময় ব্যথা অনুভব করতে পারেন। এই অবস্থায়, কিছু সময় অপেক্ষা করুন এবং সেলাই সঠিকভাবে নিরাময় হতে দিন। কিছু ক্ষেত্রে, নারীরা লাগাতার পেরিনিয়্যাল ব্যথা, মলত্যাগের সময় বা মূত্রাশয়ে নিয়ন্ত্রনে অসুবিধা ভোগ করতে পারেন। যাই সমস্যা হোক না কেন, এটি আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার, স্বাস্থ্যকর খাওয়ার এবং নিয়মিত ব্যায়াম করে প্রতিরোধ করা যেতে পারে। সমস্যা যদি তারপরেও থাকে, উপযুক্ত চিকিৎসার সাহায্য চাইতে হবে।

কখন আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করবেন

ভাল যত্ন সত্ত্বেও, কখনও কখনও সেলাইয়ের সাথে নির্দিষ্ট জটিলতা তৈরি হতে পারে। আপনি যদি নিম্নলিখিত অভিজ্ঞতা অনুভব করেন তবে আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করার পরামর্শ দেওয়া হয়:

  • অবিরত এবং গুরুতর স্বাভাবিক প্রসবের সেলাইতে ব্যথা।
  • যোনির এলাকা থেকে নোংরা গন্ধ।
  • উচ্চ চাপমাত্রার সাথে জ্বর এবং সর্দি।
  • প্রস্রাব করার সময় তীব্র জ্বালার অনুভূতি।
  • মলত্যাগের উপর নিয়ন্ত্রণের অভাব।
  • নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয় এমন রক্তপাত, বিশেষত ডেলার আকারে বের হলে।
  • অত্যধিক বেদনা বা সেলাই ফুলে গেলে।
  • সেলাই থেকে অস্বাভাবিক স্রাব।

এটা বোঝা কঠিন নয় যে কেন বহু মহিলা প্রসবের সময় সেলাই এড়াতে চান। তবে শিশুর জন্মের সময় টিস্যুটি কিছুটা ছিঁড়ে যাওয়া অনিবার্য এবং জন্মের পুরো প্রক্রিয়ার এটি স্বাভাবিক অংশ বলে মনে করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হল বিশ্রাম নেওয়া এবং দ্রুত নিরাময় ও সম্পূর্ণরূপে নিরাময় সাহায্য করার জন্য স্বাস্থ্যকর থাকা।