শিশুর ঘুমের বুনিয়াদি বিষয়গুলি: 10 থেকে 12 মাস

শিশুর ঘুমের বুনিয়াদি বিষয়গুলি: 10 থেকে 12 মাস

বাবামা সাধারণত উদ্বিগ্ন হয় যে তাদের বাচ্চা প্রতিদিন যথেষ্ট ঘুম পাচ্ছে কিনা এই নিবন্ধটি আপনার শিশুর ঘুমের প্রয়োজনীয়তা আরও ভাল করে বোঝার জন্য শিশুর ঘুমের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলিকে ছুঁয়ে যাবে

aniview

আমার শিশুর ঘুমের প্যাটার্ন কিরকম?

আপনার শিশু ছয় মাস বয়সী হলে, সে রাতে বেশী ঘুমাবে এবং কম ঘুম থেকে উঠবে তবে, আপনার শিশুর ঘুমানোর রুটিন এবং মেজাজ আপনার নিজের ঘুমকে অনেক প্রভাবিত করতে পারে আপনার শিশুর যত বড় হতে থাকে, এই সংযোগ আরো বৃদ্ধি পায়

তাহলে শিশুরা কিভাবে ঘুমায়? 10 থেকে 12 মাস বয়সী শিশুর ঘুমের প্যাটার্ন সম্পর্কে জানতে পড়ুন

আপনার শিশু রাত্রে 10 ঘন্টারও বেশি সময় ধরে ঘুমালে এবং নিজে নিজেই ঘুমিয়ে পড়লে, আপনি একজন ভালো ঘুমকাতুরেকে বড় করছেন তবে, আপনার শিশু হঠাৎ রাতে জেগে থাকতে শুরু করলে, ভয় পাবেন না

আমার 11 মাস বয়সী বাচ্চা ঘুমা নাএবং আমার 12 মাস বয়সী শিশুর অনেক ঘুমায়ধরনের সাধারণ সমস্যার মায়েরা মুখোমুখি হন এবং এগুলির পিছনে কারণ একই এই সময়ে ঘুমের সমস্যা খুবই সাধারণ কারণ আপনার শিশু বিভিন্ন মোটর এবং জ্ঞানীয় মাইলফলক অর্জন করছে এই সময় আপনার বাচ্চা হামাগুড়ি দিতে শুরু করে এবং হাঁটতে শেখে এবং যেহেতু আপনার বাচ্চা একই সময়ে অনেকগুলি জিনিস শিখছে সেই কারণে, সে এগুলি অনুশীলন করার জন্য রাতে ঘুম থেকে উঠতে পারে, অথবা সে এত উত্তেজিত যে ঘুমাতে পারছে না

বিচ্ছেদের উদ্বেগ আপনার বাচ্চার জেগে উঠার একটি কারণ হতে পারে এবং এটি আর একটি সাধারণ শিশুর ঘুমের সমস্যা

শিশুর কতটা ঘুম দরকার (10-12 মাস)

সাধারণত 10 থেকে 12 মাস শিশুর ঘুমের প্যাটার্নটি হল শিশুর রাতের বেলা বারো ঘন্টার বেশী সময় ধরে ঘুমিয়ে থাকে সে এক ঘণ্টার করে দিনে দুবার বা তিনবার ঘুমাবে আপনার শিশু যথেষ্ট ঘুমাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা আপনার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার বাচ্চার যথাযথ বিকাশের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

আপনার শিশুর ঘুমের জন্য একটি ধারাবাহিক রুটিন বজায় রাখার চেষ্টা করুন এটি তাকে রাতে ঘুমাতে সাহায্য করবে এবং তার ঘুম থেকে উঠে পড়া আটকাবে এবং আপনার ঘুম ব্যহত হতে দেবে না

দিনের মধ্যে

দিনে, শিশুরা প্রায় 2-3 ঘণ্টার জন্য ঘুমাতে পারে যা সকাল এবং সন্ধ্যার ঘুমের মধ্যে বিভক্ত আপনার বাচ্চা দিনের বেলা আধ ঘন্টা-2 ঘন্টা করে 1-3টি ঘুম নিতে পারে

রাতে

10-12 মাস বয়সে, শিশুরা রাতে 11-14 ঘন্টা ঘুমায় 10 মাস বয়সী বাচ্চা সাধারণত সন্ধ্যা 6টা থেকে 10টা পর্যন্ত ঘুমায়

কিভাবে শিশুর ভালো ঘুমের অভ্যাস তৈরি করা যায়?

কিভাবে একটি শিশুকে ঘুমাতে সাহায্য করা যায়? কৌশলগুলি প্রায় একই আপনার ছোট্টটির ছয় মাস বয়স থেকে আপনি যে কৌশলগুলি শিখেছেন সেগুলিই অনুসরণ করতে হবে যাইহোক, যদিও আপনি সেগুলিকে আয়ত্ত করে থাকেন, তবু, এখানে শিশুদের জন্য কিছু সহজ ঘুমের সমাধান দেওয়া হল:

একটি স্থায়ী শয়নকালের রুটিন বজায় রাখুন

এখানে একটি শয়নকালের রুটিন দেওয়া হল যা থেকে আপনি এবং আপনার শিশু উভয়ই উপকৃত হবে:

  • বিছানায় পাঠানোর আগে আপনার বাচ্চার সাথে আপনি খেলতে পারেন এমন অনেক গেম রয়েছে
  • তাকে স্নান করান
  • শয়নকালে গল্প বলা সবসময় একটি দারুণ বুদ্ধি
  • তাকে একটি ঘুমপাড়ানি গান শোনান
  • তার খাটে তাকে রেখে চারপাশ গুঁজে দিন এবং তাকে শুভরাত্রি চুম্বন করুন

প্রতি রাতে একই রুটিন অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ আপনার শিশু তাহলে বুঝবে যে প্রতি রাতে কি আশা করতে হবে

একটি পরিষ্কার এবং ধারাবাহিক দৈনিক রুটিন অনুসরণ করুন

আপনি শিশুর নিয়মিত ঘুমের সময়সূচীর সাথে আপনার শিশুর জন্য একটি নিয়মিত দৈনিক রুটিন অনুসরণ করলে শোয়ার সময়কার এই ঝামেলা শেষ হবে যদি আপনার শিশু প্রতিদিন একই সময়ে খায়, ঘুমায়, এবং খেলা করে, তবে তার রাতের ঘুমের জন্য আপনাকে সংগ্রাম করতে হবে না

আপনার শিশুকে নিজে নিজে ঘুমাতে দিন

আপনি যদি চান যে আপনার ছোট্টটি সারা রাত ঘুমাক এবং আপনাকে উঠতে না হয়, তবে আপনাকে তাকে নিজে নিজে ঘুমিয়ে পড়ার সুযোগ দিতে হবে আপনার শিশু যদি ঘুমানোর জন্য খাওয়ানো বা বেড়ানোর উপর নির্ভর করে, তবে রাতের বেলা আপনার বাচ্চা প্রতিবার জেগে উঠার সময় আপনাকে জেগে উঠতে হবে

আপনার শিশুকে ঘুম পাড়িয়ে রাখার জন্য কিছু সহজ কৌশল দেওয়া হল

এই বয়সে কি কোনো ঘুমের সমস্যা আছে?

আপনার বাচ্চা 9-10 মাস বয়সী হলে, সেটি তার নিজে নিজে ঘুমানোর এবং সারারাত ধরে ঘুমানোর জন্য যথেষ্ট বয়স কিন্তু, সে বিচ্ছিন্নতার উদ্বেগ থেকে ভুগতে পারে এবং তার ঘুমের অভ্যাসের পরিবর্তনও তাকে প্রভাবিত করতে পারে মা হিসাবে, আপনার পরিবর্তন গ্রহণ করার মানসিকতা থাকতে হবে যাতে আপনি আপনার বাচ্চা বেড়ে ওঠার সাথে সাথে রুটিনটি সহজেই বদল করতে পারেন আপনাকে রুটিনটিকে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে এই পরিবর্তনগুলি যা হোক না কেন, আপনাকে সেটি ধারাবাহিকভাবে মেনে চলতে হবে

শিশুর ঘুম এবং বিকাশ

শিশুরা 6 মাস বয়সী হলে, তাদের নতুন গুণাবলীর বিকাশ ঘটে যা তাদের ঘুমের ধরনগুলির উপর প্রভাব ফেলে

যেমন, তারা শিখে যায় যে কিভাবে জেগে থাকতে হয় এবং সেই সাথে তারা নতুন দক্ষতা শিখতে থাকে নতুন দক্ষতা শেখার এবং জেগে থাকার ক্ষমতার মানে হল আপনার বাচ্চা রাতে বার বার ঘুম থেকে উঠবে এবং আবার ঘুমাতে চাইবে না

আপনার শিশু কি ঘুমের প্রশিক্ষণ নিতে প্রস্তুত?

আপনার বাচ্চা যদি আপনার পরিবারের ঘুমের প্যাটার্নে অভ্যস্ত না হয়, তবে শিশুর ঘুমের প্রশিক্ষণ সেই বিষয়ে সাহায্য করবে ঘুমের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি শিশুদের সহজে ঘুমাতে, নিয়মিত ঘুমাতে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য ঘুমাতে সহায়তা করে

একটি ঘুম পাওয়া এবং ক্লান্ত শিশুর লক্ষণ

যদি আপনার শিশুর পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, তবে তার আচরণে ক্লান্তির চিহ্ন থাকবে যদিও এই লক্ষণগুলি এক বাচ্চা থেকে অন্যের মধ্যে আলাদা, এখানে বেশ কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ রয়েছে, যেগুলি আপনার শিশুর লক্ষণের মত:

  • ছটফট করা
  • হাই তোলা
  • তার চোখ রগড়ানো
  • অস্থির হওয়া বা চিৎকার করা
  • কাঁদা
  • ঘুমের শব্দ তৈরি করা
  • মুষ্টি খোলা বন্ধ করা
  • মুখ বেঁকানো এবং অন্যান্য মুখের বিকৃতি করা
  • তার হাত এবং পা দোলানো

উপসংহার: আপনার এই লক্ষণগুলি খেয়াল করা এবং আপনার শিশুর যথেষ্ট ঘুমে সাহায্য করা গুরুত্বপূর্ণ অন্যথায়, আপনার বাচ্চা অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়বে এবং আপনার পক্ষে তাকে শিথিল করা ঘুম পাড়ানো কঠিন হয়ে উঠবে