১০ মাস বয়সী শিশুদের খাবারের ধারণা

১০ মাস বয়সী শিশুদের খাবারের ধারণা

প্রথমবার সন্তানের জন্ম প্রত্যেকের জীবনে আনন্দ ও সুখের কারণ হয় । যাইহোক, এই সময়ের অনিশ্চয়তা দ্বারা চিহ্নিত করা যেতে পারে । আপনি আপনার শিশুকে খাবার খাওয়ানোর বা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতির সম্পর্কে বুঝতে, বেশিরভাগ সময় আপনার নির্দেশিকা দরকার হবে । এখানে আমরা আলোচনা করব, ১০ মাস বয়সী শিশুকে কি খাওয়াবেন এবং কীভাবে খাওয়াবেন ।

aniview

এই বয়সে শিশুদের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা

এই বয়সে আপনার শিশুটির প্রয়োজনীয় ক্যালোরির পরিমাণ আপনার শিশুর ওজনের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল । একটি সাধারণ নিয়ম হিসাবে, আপনার শিশু প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের জন্য ৯০ থেকে ১২০-এর মধ্যে ক্যালোরির প্রয়োজন হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে, ছেলে শিশুদের জন্য ৭৯৩ ক্যালোরি এবং মেয়ে শিশুদের জন্য ৭১৭ ক্যালোরি প্রয়োজন । আপনার মতো আপনার শিশুরও সব প্রধান খাদ্য দলের প্রয়োজন হবে । ফল, শাকসবজি এবং শস্যের অনুপাত বুঝতে আপনি প্রাথমিক খাদ্য পিরামিড তালিকাটি অনুসরণ করতে পারেন । এছাড়া, আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আপনার শিশুর পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং লোহার খাবারে যেন পায় । এগুলি তার শারীরিক এবং মানসিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ।

আপনার শিশু এক দিনে কতটা খাবার খেতে পারে?

পুষ্টির প্রয়োজন অনুসারে, স্বাস্থ্যকর খাবারের পরিমাণ আপনার সন্তানের চাহিদা এবং ক্ষিদে থেকে নির্ধারিত হবে । তবে, সাধারণ নিয়ম হিসাবে, আপনি অনুমান করতে পারেন যে আপনার শিশুর নিম্নলিখিত পরিমাণ খাবার প্রয়োজন হবে ।

  • ১/৪ থেকে ১/২ কাপ সিরিয়াল
  • ১/৪ থেকে ১/২ কাপ ফল
  • ১/৪ থেকে ১/২ কাপ সবজি
  • ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ দুগ্ধজাত পণ্য
  • ৪ টেবিল চামচ প্রোটিন অথবা মাংস

আপনার দশ মাস বয়সী শিশুর জন্য সেরা খাবার

আপনার মনে রাখতে হবে এমন প্রধান বিষয়গুলির মধ্যে একটি হল যে, এই বয়সে আপনাকে নিয়মিত খাবারের সাথে বুকের দুধও খাওয়াতে হবে । তাই আপনি বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যান, আপনি ধীরে ধীরে কয়েকটি খাবার নিয়মিত এবং কঠিন খাদ্যের সাথে প্রতিস্থাপন করতে শুরু করতে পারেন, যার মধ্যে একটি হল ফিঙ্গার ফুড । তবে, কখন আপনি সম্পূর্ণরূপে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করবেন, তার কোন কঠোর ও দ্রুত নিয়ম নেই । এটি একটি সিদ্ধান্ত, যা আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শের পরে আপনাকে স্বাধীনভাবে তৈরি করতে হবে । আপনি যদি আপনার বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তবে আপনার সন্তানের জন্য সবচেয়ে ভাল খাবার রয়েছে ।

  • বিভিন্ন শস্যের ইডলি বা ডোসা
  • মুগ ডালের খিচুড়ি
  • সবজি দিয়ে উপমা
  • ডালিয়ার পরিজ
  • বাড়িতে তৈরি মিল্কশেক
  • সিদ্ধ ডিম বা ডিমের ভুজিয়া
  • সবজির স্যুপ
  • বাড়িতে তৈরি হালুয়া
  • হাল্কা মশলাযুক্ত সাম্বর

১০ মাস বয়সী শিশুর খাবারের তালিকা / পরিকল্পনা

এখানে একটি ভারতীয় শিশুর খাদ্য তালিকা রয়েছে, যা আপনি আপনার দশ মাস বয়সী শিশুর খাবার পরিকল্পনা তৈরির জন্য অনুসরণ করতে পারেন । যাইহোক, আপনাকে এক এক বারে প্রতিটি নতুন খাবারের পদ খাওয়ানো শুরু করার সুপারিশ করা হচ্ছে । আপনি অন্য খাবারের পদ পরিচয় করানোর আগে তিন দিন অপেক্ষা করুন, কারণ এতে আপনার শিশুর অ্যালার্জি আছে কিনা তা নিখুঁতভাবে জানা যাবে । এটি তাকে স্বাদ ও গন্ধের সঙ্গে অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করবে । আপনি কিছু পরিবর্তন করতে পারেন এবং আপনার ১০ মাস বয়সী শিশুর উপযুক্ত খাবারের সময়সূচী তৈরি করতে পারেন ।

 

সপ্তাহের দিন খুব সকাল ব্রেকফাস্ট মধ্য সকাল লাঞ্চ সন্ধ্যা ডিনার গভীর রাত
সোমবার বুকের / ফর্মুলা দুধ আপেল কুচির সঙ্গে সিরিয়াল পেঁপের টুকরো মুরগির মাংসের স্টকের সঙ্গে ভাত বুকের / ফর্মুলা দুধ ডোসা ও সাম্বর বুকের / ফর্মুলা দুধ
মঙ্গলবার বুকের / ফর্মুলা দুধ কলার সঙ্গে ওটমিলের পরিজ কলার টুকরো সবজি, ভাত, গ্রিল করা মাছ বুকের / ফর্মুলা দুধ টোস্ট ও মুরগির মাংসের স্যুপ বুকের / ফর্মুলা দুধ
বুধবার বুকের / ফর্মুলা দুধ টোস্টের সঙ্গে ডিমের কুসুম আঙুর দই ও সবজির পোলাও বুকের / ফর্মুলা দুধ চাপাটি ও সবজি বুকের / ফর্মুলা দুধ
বৃহস্পতিবার বুকের / ফর্মুলা দুধ ডালিয়ার পরিজ রুটির টুকরো সবজির খিচুড়ি ও দই বুকের / ফর্মুলা দুধ চাপাটি ও সবজি বুকের / ফর্মুলা দুধ
শুক্রবার বুকের / ফর্মুলা দুধ পনির বুরজি স্যান্ডুইচ তরমুজের টুকরো কুমড়োর তরকারির সঙ্গে ভাত বুকের / ফর্মুলা দুধ চাপাটি ও সবজি বুকের / ফর্মুলা দুধ
শনিবার বুকের / ফর্মুলা দুধ ফ্রেঞ্চ টোস্ট সিদ্ধ গাজর সবজি ও সাম্বরের সাথে চাপাটি বুকের / ফর্মুলা দুধ ভাত ও সিদ্ধ মাছ বুকের / ফর্মুলা দুধ
রবিবার বুকের / ফর্মুলা দুধ রাগির পরিজ সিদ্ধ আপেল ইডলি ও সাম্বর বুকের / ফর্মুলা দুধ আলুর তরকারির সঙ্গে পরোটা বুকের / ফর্মুলা দুধ

শিশুর জন্য বাড়িতে তৈরি খাবারের রেসিপি

নীচে ১০ মাস বয়সী শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ানো শুরু করার সময় আপনি ব্যবহার করতে পারেন এমন কিছু রেসিপি রয়েছে । এই রেসিপি সবরকম বিকাশের জন্য সম্পূর্ণ পুষ্টি জোগাবে ।

১) সুজির উপমা

সুজির উপমা

উপকরণ

  • ১/২ কাপ সুজি
  • গাজর, মটরশুঁটি, বীনস এবং সিদ্ধ আলুর মতো বিভিন্ন সবজির টুকরো ১/২ কাপ
  • ১ কাপ জল
  • ১/৪ চা-চামচ জিরে
  • ১চিমটি হলুদ
  • ১ চিমটি লবন
  • ১/৪ চা-চামচ তেল বা ঘি

কীভাবে তৈরি করবেন

  • একটি প্যানের মধ্যে, সুজি দিন এবং এটি রোস্ট হওয়ার সুবাস না ছাড়া পর্যন্ত রোস্ট করুন । সবসময় ভালোভাবে নাড়াতে থাকবেন, কারণ এটি দ্রুত পুড়ে যেতে পারে । একটি বাটিতে ঢেলে সরিয়ে রাখুন । একটি প্যানে তেল বা ঘি গরম করুন । গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং জিরা যোগ করুন, যাতে তারা ফাটে । টুকরো করা সবজিগুলি যোগ করুন, হলুদ এবং লবণ সহ । প্রায় ৫ মিনিটের জন্য নাড়াচাড়া করুন । সুজি ও জল দিন এবং ক্রমাগত নাড়তে থাকুন যাতে কোন দলা না থেকে যায় । পছন্দসই সামঞ্জস্যে পৌঁছানো পর্যন্ত রান্না করুন । এটি ঠান্ডা হলে আরও ঘন হয়ে যায়, তাই সামান্য বেশি পাতলা রাখতে ভুলবেন না ।

২) সাধারণ খিচুড়ি

সাধারণ খিচুড়ি

উপকরণ

  • ১/৪কাপ অড়হর বা তোর ডাল
  • ১/৪ কাপ চাল
  • আড়াই কাপ জল
  • ১টি টমেটো কুচি করা
  • ১/৪ চা-চামচ তেল বা ঘি
  • ১।৪ চা-চামচ জিরে
  • ১ চুটকি হিং
  • ১/৪ ইঞ্চি আদা (গোটা)
  • স্বাদমতো লবন

কীভাবে তৈরি করতে হবে

  • পরিষ্কার জল বের না হওয়া পর্যন্ত ডাল এবং চাল পরিষ্কার করুন । ৩০ মিনিটের জন্য জলে ভিজিয়ে রাখুন । ডালেও একই কাজ করুন । ডাল এবং চাল ছেঁকে নিন এবং এটি কুকারে জল ও হলুদের সঙ্গে দিন এবং সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন । রান্না করা খাবারে জলের পরিমাণ ঠিক রাখার জন্য আমরা আরো জল যোগ করতে পারি । একবার ডাল এবং ভাত রান্না হয়ে গেলে, কুকার ঠাণ্ডা হতে দিন এবং একটি প্যানে তেল বা ঘি গরম করুন । তেলগরম হলে, কিছু জিরে যোগ করুন । হিং, আদা এবং টমেটো দিন এবং কয়েক মিনিটের জন্য নাড়াচাড়া করুন । এতে রান্না করা ভাত এবং ডালের মিশ্রণ তাতে থাকা অতিরিক্ত জল দিয়ে যোগ করুন । স্বাদের জন্য লবণ যোগ করুন এবং খিচুড়ি কয়েক মিনিটের জন্য ফুটতে দিন । সামান্য তরল ঘনত্বে রাখুন । আপনার বাচ্চা তার স্বাদ পছন্দ করবে না বলে আপনি আদার টুকরো তুলে ফেলে দিতে পারেন ।

৩) ডিমের ভুজিয়া

ডিমের ভুজিয়া

উপকরণ

  • একটি ডিম
  • ২-৩ টেবিল চামচ সাধারণ/ ফর্মুলা/ বুকের দুধ
  • ১ টেবিল চামচ তাজা চীজ
  • ১ চা-চামচ অলিভ তেল
  • স্বাদমতো লবন
  • স্বাদমতো গোলমরিচ

কীভাবে তৈরি করবেন

  • একটি বাটিতে ডিম ভেঙে রাখুন । দুধ দিয়ে কয়েক মিনিটের জন্য ফেটান । তারপর গ্রেট করা তাজা চীজ দিন এবং মেশান । প্যানে অলিভ তেল দিয়ে গরম করুন । এতে ডিম দিয়ে সম্পূর্ণরূপে রান্না না হওয়া পর্যন্ত মিশ্রণটি ক্রমাগত নাড়তে থাকুন । স্বাদ অনুযায়ী লবণ এবং হালকা মশলা দিন । আপনি স্বাদে বৈচিত্র্যের জন্য কিছু সূক্ষ্মভাবে কাটা সবজি যোগ করতে পারেন ।

৪) মুরগির মাংস এবং আলুর স্যুপ

মুরগির মাংস এবং আলুর স্যুপ

উপকরণ

  • ১/২ কাল ছাড়ানো ও কুচি করা আলু
  • ১/২ কাপ টুকরো করা মুরগির মাংস
  • ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি
  • ১/২ কাপ গ্রেট করা তাজা চীজ
  • ২ কোয়া রসুন
  • ২ টেবিল চামচ মাখন
  • ২ কাপ জল
  • স্বাদের জন্য লবন
  • স্বাদমতো গোলমরিচ

কীভাবে তৈরি করবেন

  • একটি বড় পাত্রে মাখন গরম করুন । বুদবুদ শুরু হলে, পেঁয়াজ যোগ করুন এবং তারা স্বচ্ছ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন । রসুন দিন এবং কয়েক মিনিটের জন্য নাড়াচাড়া করুন । আলু যোগ করুন এবং মাখনে রান্নার করার কারণে একটু রং পেতে দিন । জল দিন এবং ফুটতে দিন । একটু একটু করে চীজ দিতে দিতে নাড়তে থাকুন । আবার একতু ফুটতে দিন এবং মুরগির টুকরো যোগ করুন । একটি ঢাকনা দিয়ে পাত্রটিকে ঢেকে রাখুন এবং সম্পূর্ণভাবে রান্না না হওয়া পর্যন্ত ১০ মিনিটের জন্য রান্না করুন । স্বাদ অনুযায়ী লবণ ও গোলমরিচ যোগ করুন এবং আপনার স্যুপ তৈরি হয়ে যাবে । আপনি যদি আলু এবং মুরগির মাংস যথেষ্ট ছোট টুকরো করে কাটেন, তবে আপনার বাচ্চারা তাদের মতো খেতে পছন্দ করতে পারে । যাইহোক, যদি আপনার মনে হয় আপনার বাচ্চা এটি কঠিন মনে করছে, তবে আপনি একটি ব্লেন্ডার ব্যবহার করতে পারেন এবং স্যুপটিকে মসৃণ করতে পারেন ।

৫) ডালিয়া বা ভাঙা গমের পরিজ বা পায়েস

ডালিয়া বা ভাঙা গমের পরিজ বা পায়েস

উপকরণ

  • ১/৪ কাপ ডালিয়া
  • ১ কাপ জল
  • ১ চা।চামচ আমন্ড গুঁড়ো
  • আপেল বা কলার পিউরি

কীভাবে তৈরি করবেন

  • ডালিয়া এবং জল একটি কুকারের মধ্যে রাখুন এবং তিনটি শিটি দেওয়া পর্যন্ত রান্না করুন । একবার কুকার সম্পূর্ণভাবে ঠান্ডা হয়ে গেলে, পুরো সামগ্রীটি একটি ব্লেন্ডারে দিন এবং মসৃণ ঘনত্ব পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন । সব উপকরণ একটি বাটির মধ্যে রাখুন এবং বাদাম গুঁড়ো যোগ করুন । মিষ্টি হওয়ার জন্য কলা বা আপেল পিউরি যোগ করুন ।

খাওয়ানোর টিপস

  • কমপক্ষে পাঁচ মিনিটের জন্য গরম জলে ভরা পাত্রে ঢুকিয়ে রেখে আপনার বাচ্চাকে তার খাওয়ার পাত্রগুলি দিন ।
  • আপনি শিশুকে খাবার দেওয়ার আগে তা সঠিক তাপমাত্রায় আছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য এটিকে আগে আপনি অল্প খেয়ে দেখুন ।
  • আপনি যতটা পারবেন লবণ এড়িইয়ে চলুন । পরিবর্তে, আপনি পনির বা চীজের মতো খাবার উত্স থেকে স্বাদ পেতে পারেন ।
  • আপনার বাচ্চার খেতে পছন্দ করে এমন উপাদানগুলির সমন্বয় নিশ্চিত করুন ।
  • এক এক বারে শুধুমাত্র একটি করে কঠিন খাবার খাওয়ান ।
  • একটি নতুন খাবার দেওয়া শুরু করার পর তিন দিন পর্যন্ত অ্যালার্জি উপসর্গগুলির জন্য নজর রাখুন ।
  • চাহিদা অনুযায়ী আপনার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান । এই উপরের তালিকায় উল্লিখিত সময় থেকে পৃথক সময়ে ।
  • কোন নতুন খাবার চালু করার আগে আপনার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সঙ্গে পরামর্শ করতে ভুলবেন না ।

একটি ১০ মাস বয়সী শিশুকে খাওয়ানো পরীক্ষা করার সময় । আপনার শিশু স্বাদের মধ্যে পার্থক্য করতে শুরু করে এবং কিছু খাবার তাদের পছন্দসই হতে শুরু করে, আপনার সন্তান সত্যিই উপভোগ করতে পারে, আপনি এমন খাবার পরিকল্পনাগুলি তৈরি করতে সক্ষম হবেন । খাবার পরিকল্পনা করার সময় খাদ্য পিরামিডটির কথা মনে রাখুন এবং আপনার শিশুকে খাওয়ানো যাবে না এমন বিষয়ে আপনার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত করুন ।