গর্ভাবস্থায় কিডনিতে স্টোন বা বৃক্কে পাথর

গর্ভাবস্থায় কিডনিতে স্টোন বা বৃক্কে পাথর

বৃক্কে পাথর সহ্য করা খুবই যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে,বিশেষত গর্ভাবস্থায়। যদিও গর্ভধারণের সাথে বৃক্কে পাথর হওয়ার সম্ভবনার কোনোও সম্পর্ক নেই,কিন্তু গর্ভাবস্থায় বৃক্কে পাথর হয়ে থাকলে তা সেটি নির্ধারণের জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করার ক্ষেত্রটিকে আরও জটিল করে তোলে এবং সেটি উপশমের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচলিত চিকিৎসাকে ব্যাহত করে সেটি থেকে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হবার আশঙ্কা থেকে যাওয়ার কারণে।অনেক ক্ষেত্রেই কিডনি স্টোন গুলি কোনোরকম চিকিৎসা ছাড়াই প্রস্রাব দিয়ে বেড়িয়ে যায় তবে কতকগুলি আবার খুব যন্ত্রণাদায়কও হয়ে ওঠে এবং সেগুলির জন্য সুচিকিৎসার প্রয়োজন হয়।তৃতীয় ত্রৈমাসিকে অনেক সময় প্রসব বেদনা জেগে ওঠে,সর্বদা এই পরামর্শই দেওয়া হয় যদি আপনর বৃক্কের পাথর জনিত কোনওরকম সমস্যা অনুভব করেন তাহলে তৎক্ষণাৎ একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন।

aniview

গর্ভাবস্থায় বৃক্কে পাথর হওয়ার কারণ গুলি

যদিও গর্ভবতী হওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনার বৃক্কে পাথর হবার ঝুঁকি অনেক বেড়ে গেল,সেখানে গর্ভাবস্থায় বৃক্কে পাথর হওয়ার কতগুলি নির্দিষ্ট কারণ আছে । কিডনিতে স্টোন হওয়ার কয়েকটি সাধারণ কারণ হলঃ

1. তরলের অভাব

স্বল্প পরিমাণে জলপান হল বৃক্কে পাথর হবার একটি অন্যতম সাধারণ কারণ।আপনার দেহে কম তরলের জন্যে মূত্রে নানা ধরণের খনিজ যেমন ফসফরাস, ক্যালসিয়ামের ঘণত্ব বেড়ে যায় যেগুলো বৃক্কের পাথর উৎপাদনের সম্ভবনা বাড়িয়ে দেয়।গর্ভাবস্থায় আপনার দেহে সাধারণ অবস্থার তুলনায় অধিক পরিমাণে জলের প্রয়োজন হয়।নির্দিষ্ট পরিমাণের থেকে কম জল খেলে আপনার কিডনিতে স্টোন হবার সম্ভবনা বেড়ে যায়।

2. জিনগত প্রবণতা

আপনার শরীরের জিনের গঠণ আপনার বৃক্কের পাথর হবার সম্ভবনাকে বাড়িয়ে তোলে।যদি আপনি হাইপারক্যালসিরিয়ার ইতিহাস আছে এমন পরিবারের একজন সদস্য হয়ে থাকেনযেখান প্রস্রাবে প্রচুর পরিমাণে ক্যলসিয়াম থাকে,সেক্ষত্রে আপনার কিডনি স্টোন হবার সম্ভবনা বৃদ্ধি পাবে।

3. অন্ত্রের জ্বলন

আপনি যদি পাকস্থলী এবং অন্ত্র জনিত বিষয়ে খুব সংবেদনশীল হন তাহলে আপনি হাইপারক্যালসিরিয়াপ্রবণ হয়ে থাকতে পারেন অথবা আপনার বৃক্কে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত বেশী হবে।অন্ত্রের অনবরত প্রদাহের ফলে ক্যালসিয়াম আয়ণের সংখ্যা বেড়ে যায় সেগুলো বৃক্কে জমা হয় যা পরবর্তিতে ক্রিষ্টালে পরিণত হয়।

4. উচ্চমাত্রায় ক্যালসিয়াম গ্রহণ

অন্তঃস্বত্তা মহিলাদের বেশী করে ক্যালসিয়াম খেতে উৎসাহ দেওয়া হয়যা বৃক্কের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং বৃক্কে পাথর তৈরী করতে সাহায্য করে।এর সাথে আপনার গর্ভস্থ সন্তানের বিকাশের জন্য আপনার দেহ প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম শোষণ করে যা কিডনি স্টোনের সম্ভবনা বাড়িয়ে তোলে।

5. পরিস্রাবণ বৃদ্ধি

বৃক্কে পরিস্রাবণ প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ইউরিক অ্যাসিড যা আপনি রেচন করেন তার পরিমাণ বেড়ে যায়, ফলে ইউরিক অ্যাসিডজনিত কিডনি স্টোনের সম্ভবনা বৃদ্ধি পায়।

6. জরায়ুর প্রসারণ

গর্ভাবস্থার সময় জরায়ুর উপরের দিকের আস্তরণ বেড়ে যায়, যার ফলে মূত্র ত্যাগ বাধাপ্রাপ্ত হয় যা বৃক্কে পাথরের সম্ভবনা বাড়িয়ে তোলে।

7. ইউ টি আই

গর্ভাবস্থায় অবিরত ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা মূত্রনালীর সংক্রমণ বৃক্কে পাথর হবার ক্ষেত্র প্রশস্থ করে।

চিহ্ন এবং লক্ষণ

কিডনি স্টোন বা বৃক্কের পাথর হবার চিহ্ন এবং লক্ষণগুলি অন্যান্য বিষয়গুলির মত এক নয়।তবে কিডনি স্টোন এবং তার ফলে গর্ভাবস্থায় উদ্ভূত জটিলতাগুলির ক্ষেত্রে সেরকম বিশেষ কোনও নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।গর্ভাবস্থায় কিডনি স্টোনের কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ গুলি নিম্নরূপ হয়ে থাকেঃ

1. যন্ত্রণা

যন্ত্রণা

বৃক্কে পাথরের সর্বপ্রথম এবং প্রধান লক্ষণ হল তীব্র যন্ত্রণা।ভিতরের যে অংশে পাথর আছে সেই অঞ্চলটিতে যন্ত্রণার উদ্ভব হয়।যদি আপনার কিডনিতে পাথর হয় তাহলে আপনি পিঠে,বক্ষপিঞ্জরের নিম্নাংশে যন্ত্রণা অনুভব করবেন।যদি পাথর গবিণীর দিকে নেমে যায় তাহলে আপনি আপনার শরীরের দুপাশে যন্ত্রণা অনুভব করবেন। যদি সেগুলো গবিণীর আরো নিচের দিকে নেমে যায় তাহলে আপনি যৌণাঙ্গ অথবা জঙ্ঘাতে ব্যাথা অনুভব করবেন। এছাড়াও আপনি তলপেটে ব্যাথা অনুভব করতে পারেন।

2. প্রস্বাব করার সময় যন্ত্রণা

যদি পাথরটি চলাচল করে এবং সেটি মূত্রনালীর শেষ প্রান্তে আটকে থাকে তাহলে প্রস্রাব করার সময় তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করবেন।

3. মূত্রের সাথে রক্ত

যেহেতু বৃক্কের মধ্য পাথর গুলো স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে চলাচল করে,সেগুলো অনেক সময় বৃক্কের কলা এবং কোষের ক্ষতি করে।এর ফলে মূত্রের সাথে রক্ত নির্গত হয়।

উপরের লক্ষণ গুলো ছাড়াও আপনার বমি, বমি বমি ভাব জ্বরের সাথে শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া(যা সংক্রমণকে বোঝায়),অথবা তলপেটে কোনো স্ফীতি দেখা দিতে পারে।

গর্ভাবস্থায় কীভাবে কিডনি স্টোন নির্ণয় করা হয়?

গর্ভাবস্থায় রক্ত এবং মূত্র নমুনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ বৃক্কের পাথর রোগটি নির্ণয় করতে সাহায্য করে।মূত্র পরীক্ষা করে তাতে উপস্থিত রক্ত, ক্যালশিয়ামের কেলাস বা ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ জানা যায়।ইউরিন কালচার করলে বোঝা যায় কোন জীবাণু দ্বারা সংক্রমণ হয়েছে এবং কোন ধরনের অ্যান্টিবডিতে তারা সংবেদনশীল।

বৃক্কের একটি আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষা করা হয় এটা যন্ত্রণাহীন প্রক্রিয়া এবং গর্ভস্থ শিশু এর বিকিরণ থেকে মুক্ত থাকা।যাইহোক এর সীমাবদ্ধতা হল বৃক্কের আলট্রাসাউন্ডের দ্বারা নির্দিষ্ট ঠিক কি ধরণের কিডনি স্টোন হয়েছে তা বোঝা যায় না,আবার বৃক্কের বৃদ্ধির সঠিক কারণটিও(সেটা গর্ভাবস্থার জন্য নাকি কিডনির পাথরের বাধা সৃষ্টির জন্য)জানা যায় না।

এক্সরে এবং সিটি স্ক্যান গর্ভাবস্থায় এড়ানো দরকার যেহেতু এগুলো ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে।MRI করা চলতে পারে যাহেতু সেক্ষেত্রে কোনওরকম বিকিরণ ঘটে না এবং কোনো কনট্রাস্ট পদার্থ ব্যবহার করা হয় না, তবুও এটা না করারই পরামর্শ দেওয়া হয় অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন।

যখন অস্ত্রোপচার করতে হবে তার সূচকগুলি

যদি প্রাকৃতিক এবং রক্ষণশীল প্রতিকারগুলি কাজ না করে, তাহলে আপনাকে অস্ত্রোপচারের দিকে যেতে হবে বৃক্কের পাথর নিরাময়ের জন্য যখন নিচে উল্লেখিত পরিস্তিতি তৈরী হবেঃ

  • মূত্রনালীতে যে পাথরটি আটকে আছে তার জন্য পাইলোনেফ্রাইটিস বা প্রদাহ হতে থাকে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণের ফলে।
  • যদি আপনার একটিমাত্র বৃক্ক থাকে।
  • তীব্র বৃক্কের ব্যার্থতা
  • প্রচন্ড যন্ত্রণা
  • অকালপ্রসবের সম্ভবনা দেখা যায় কিডনির প্রচন্ড ব্যাথার জন্য

কীভাবে বৃক্কের পাথর বা কিডনি স্টোন থেকে গর্ভাবস্থায় নিষ্ক্রিতি পেতে পারেন

যখন আপনি কিডনি স্টোন হবার কোনো লক্ষণ দেখতে পাবেন তখনই একজন ইউরোলজিস্টের সাথে আলোচনা করে চিকিৎসা পদ্ধতি স্থির করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গর্ভাবস্থায় কিডনি স্টোন থেকে নিষ্ক্রিতি পাবার কয়েকটি উপায় বলা হল।চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করবে আপনার কি ধরনের কিডনি স্টোন হয়েছে এবং আপনি কোন ত্রৈমাসিকে অবস্থান করছেন তার ওপর।

1.ওষুধের দ্বারা চিকিৎসা

অ্যাসিটামিনোফেন যেমন টাইনেলন জাতীয় ওষুধ এর প্রেসক্রিপশান করা হয় কিডনি স্টোন জনিত যন্ত্রণা কমাবার জন্য।যদি ওষুধের দ্বারা আপনার যন্ত্রণা না কমে বা আপনার অকাল প্রসব বেদনা হবার লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে আপনার হয়ত অস্ত্রোপচার করার প্রয়োজন হতে পারে।

2.সার্জিক্যাল চিকিৎসা

  • ইউরেটেরোস্কপিএই পদ্ধতিটি প্রয়োগ করা হয় রোগ নির্ণয়ের সাথে সাথে পাথর গুলিকে ভাঙার জন্য।একটি ছোটো নল যা ইউরেটেরোস্কোপ নামে পরিচিত সেটিকে মূত্রনালী, মূত্রাশয় গবিণীর মধ্য দিয়ে বৃক্কে পাঠানো হয়।লেসার রশ্মি প্রয়োগ করে পাথরকে ভেঙ্গে ফেলা হয়।1সে.মি কম আকার বিশিষ্ট পাথরের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি আদর্শ বলে বিবেচিত হয়।
  • টিউব বা স্টেন্ট বসানোএই পদ্ধতিতে একটি ফাঁপা নল গবিণীর মধ্য বসিয়ে দিয়ে মূত্র এবং পাথরের নির্গমন সহজ করা হয়।এতে খুব কম পরিমাণে ক্ষত হয় এবং আঞ্চলিক চেতনানাশকগুলি সাধারণত ব্যবহার করা হয়।
  • শক ওয়েভ থেরাপি এবং ওপেন সার্জারিঅন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের এই পদ্ধতিটি প্রয়োগ করা হয় না কারণ এতে গর্ভস্থ ভ্রূণের ক্ষতি হতে পারে।

3.প্রাকৃতিক/ঘরোয়া নিরাময়

কিডনি স্টোন বা বৃক্কের পাথর নিরাময়ের ক্ষেত্রে রক্ষণশীল এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলি সবথেকে বেশি পছন্দের হয়ে থাকে।তারমধ্যে কতগুলি নিচে দেওয়া হল,

  • জলপানের পরিমাণঃ কমপক্ষে 8 গ্লাস জল পান করা উচিত কারণ তারফলে বিভিন্ন খনিজ এবং জৈব লবণ গুলো দ্রবীভূত হয়ে মূত্রের সাথে দেহের বাইরে বেরিয়ে যাবে।এটা আবার বৃক্কের ছোটো পাথর গুলোকে বের করে দিতেও সাহায্য করে।
  • ফলঃ তরমুজ, ব্লুবেরী, পীচ,এবং অন্যান্য ফল যাতে জলের পরিমাণ যথেষ্ট আছে সেগুলি খাওয়া প্রয়োজন।

ফলঃ

  • বাণিজ্যিক জুসগুলি এড়িয়ে চলুনঃ প্যাকেটের জুসগুলোতে উচ্চমাত্রায় খণিজ(অতিরিক্ত চিনি মেশানো থাকে)এবং লবণ থাকে যা আপনার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ করে তোলে।
  • লেবুঃ বলা হয় লেবু মাঝারি আকারের পাথরকে ভাঙতে সক্ষম এবং এটি মূত্রনালীকে উন্মুক্ত করে ফলে পাথরের টুকরোগুলো খুব কম যন্ত্রণার সাথে ঐ পথে বেরিয়ে যায়।
  • আপেল সীডার ভিনিগারঃ ACV যাতে অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে সেটি বৃক্কের পাথরকে দ্রবীভূত করে দেয়।এক লিটার জলের মধ্যে বড় এক বা দুই চামচ ACV মিশিয়ে নিয়ে সারাদিন ধরে পান করলে উপকার পাওয়া যাবে। যাইহোক আপনি অ্যাপনার ডাক্তারবাবুর সাথে আলোচনা করেই নির্দিষ্ট পরিমাণে সেটি গ্রহণ করুন কারণ গর্ভাবস্থায় ACV খুব কম পরিমাণে গ্রহণ করতে হয়।
  • তুলসী রসঃ ACV এর মত তুলসীর রসে অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে যা বৃক্কের পাথরকে ভাঙতে সাহায্য করে।তুলসী সাধারণত প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।কয়েকটি তাজা বা শুকনো তুলসী পাতা নিয়ে সেগুলোকে জলে ফুটিয়ে নিন এবং চা এর মত করে খান।একটানা এই চা খাওয়া বন্ধ করুন কারণ এটা নিম্ন রক্তচাপ এবং রক্ত শর্করার জনিত সমস্যা সৃষ্টি করে। সর্বদা আপনার ডাক্তারবাবুর সাথে পরামর্শ করুন যে কোনো ধরণের ঘরোয়া প্রতিকার ব্যবহারের আগে বিশেষত গর্ভাবস্থায়।

প্রতিরোধ

কিডনি স্টোনের প্রতিরোধের কয়েকটি উপায় হল নিম্নরূপঃ

  • প্রচুর পরিমাণে জল খান।কমপক্ষে দুই লিটার বা আট গ্লাস জল পান করা জরুরী।
  • নুন খাওয়ার পরিমাণ কমান।জাঙ্ক ফুড বা তেল মশলার খাবারগুলি খাওয়া কমান বিশেষ করে যেগুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণে মোনোসোডিয়াম ক্লোরাইড থেকে থাকে।
  • অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যলসিয়াম গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।আপনার ক্যালশিয়াম গ্রহণ দৈনিক 1000 থেকে 1200 মি.গ্রা. মধ্যে রাখুন।
  • আপনার ডাক্তারের সাথে আপনার ওষুধ নিয়ে কথা বলুন।কিছু ওষুধ বৃক্কে পাথর তৈরীতে ভূমিকা নেয়।আপনি যদি সে ধরনের কোনও চিকিৎসার মধ্যে থাকেন তা সে যাকোনো ধরনের হোক না কেন,যদি সেটা গর্ভাবস্থাকালীণ সময়েও দেওয়া হয়ে থাকে অবশ্যই তা আপনার ডাক্তারবাবুকে জানান।কোনো ক্ষেত্রেই চালু ওষুধ গুলো আপনার ডাক্তারবাবুর অনুমতি ছাড়া বন্ধ করে দেবেন না।
  • কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য গ্রহণ কমান।সবুজ পাতাযুক্ত শাক সবজী,চিকেন, মাছ,বাদাম,বীটরূট,চকলেট,মটরশুঁটি,বীফ,রেড মীট,চা এবং কফি আপনার কিডনি স্টোন হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়কের ভূমিকা নিতে পারে।

গর্ভাবস্থায় কিডনি স্টোন খুব সাধারণ ঘটনা এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক নিরাময় পদ্ধতিতে এটি সেরে যায়।যদি তীব্র যন্ত্রণা হয় তাহলে ওষুধ বা অস্ত্রোপচারের দ্বারা এটিকে অপসারণ করা দরকার।সর্বদা মনে রাখবেন যখনই কিডনি স্টোনের কোনোরকম লক্ষণ দেখবেন তখনই ডাক্তার দেখাবেন এবং দ্রুত যথাযথ চিকিৎসা শুরু করবেন যেকোনওরকম জটিলতা সৃষ্টি হবার আগেই।