13-16 মাস বয়সী শিশুর খাদ্য পরিকল্পনা

13-16 মাস বয়সী শিশুর খাদ্য পরিকল্পনা

আপনার সন্তানের এখন এক বছর বয়স এবং সে এখন কয়েক মাস ধরে শক্ত খাবার খাচ্ছে।এমন কিছু সময় আসতে পারে যখন সে কোনো নির্দিষ্ট ধরনের ফল বা সবজি খেতে অস্বীকার করতে পারে এবং সেই সময় আপনি আপনার টলমলমানকারী ছোট্ট শিশুটিকে কি খাওয়াতে পারেন এই ভেবে কখনও কখনও বিভ্রান্ত হয়ে উঠতে পারেন।এই ধরনের সমস্ত পরিস্থিতিকে সামাল দিয়ে,এখানে কিছু খাদ্যের পরিকল্পনা,পরামর্শ এবং খাবারের বিকল্প আলোচনা করা হল সেই সকল শিশুদের জন্য যারা 13-16 মাস বয়সী।

aniview

13-16 মাস বয়সী টডলার পদাধিকারী শিশুদের জন্য সেরা খাদ্য

13-16 মাস বয়সী টডলার পদাধিকারী শিশুদের জন্য সেরা খাদ্য

আপনার টলমলমানকারী ছোট্টটা এখন শক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে উন্নতি করতে পারে।সুতরাং তাকে বড় করে তুলতে এবং সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর এবং সমৃদ্ধ খাবার গুলিকেই বেছে নিন।যাইহোক,তাকে কখনই অতিরিক্ত খাওয়াবেন না।কিছু স্বাস্থ্যকর বিকল্প নিচে তালিকাবদ্ধ করা হল।

1. ফল

ফল গুলিকে ছোটো ছোটো টুকরো করে কাটুন যাতে আপনার সন্তান সেগুলিকে সহজেই তুলে নিয়ে খেতে পারে।ফলগুলি খুব ছোটো ছোটো হওয়া এবং সহজে চিবানোর যোগ্য হওয়াকে নিশ্চিত করুন।তা না হলে এগুলি আপনার ছোট্টো সোনার গলায় আটকে গিয়ে শ্বাসরোধ করতে পারে।উদাহরণ হিসাবে তাদেরকে আঙুর গুলিকেও সম্পূর্ণ গোটা দেওয়ার পরিবর্তে সেগুলিকে আপনার ছোটো ছোটো টুকরো করে কেটে দেওয়াই উচিত।

2. দুধ

প্রতিটি টলমলমানকারী শিশুর জন্যই দুধ আবশ্যক।এটা অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং তাকে শারীরিক দিক থেকে শক্তিশালী এবং মানসিক ভাবে তীক্ষ্ণ করে তুলতে সাহায্য করে।যদি আপনি এখনও বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান অথবা তাকে গরুর দুধ খাওয়ান,খুব অতিরিক্ত মাত্রায় এগুলি তাকে খাওয়াবেন নাযদি দুধের দ্বারাই তার পেট পূর্ণ হয়ে যায় সে আর শক্ত খাবার খেতে চাইবে না।

3. সবজি

এই সময় থেকে,আপনার ছোট্ট সোনা ব্রকলি এবং ফুলকপি সহ বেশীরভাগ সবজিই খেতে পারে।এগুলির ডাঁটা ছেঁটে এবং সামান্য একটু পিঁষে নিয়ে আপনি তাকে দিতে পারেন।অন্য স্বাস্থ্যকর বিকল্প গুলি হল চটকানো আলু এবং গাজর,যেগুলি জলখাবার হিসাবে দেওয়া যেতে পারে।এছাড়াও আপনি গাজরগুলিকে লম্বা লম্বা সরু টুকরো করে কাটতে পারেন এবং তাদেরকে আঙ্গুল দিয়ে তুলে খাবার জন্য দিতে পারেন।

4. মাংস

আপনার টলমলমানকারী ছোট্ট সোনাটির জন্য সাদা মাংস হল প্রোটিনের এক মহান উৎস।খাওয়ানোর আগে আপনি এগুলিকে ভালো করে রান্না করে এবং ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে নিতে পারেন।মাংস, 15 মাস বয়সী শিশুর এক মহা খাদ্য হিসাবে পরিচিত যেহেতু এটি হল একটি শক্তি প্রদানকারী খাদ্য এবং যা সারাদিন ধরে আপনার শিশুকে রাখে চলমান।

5. দই

ছোট শিশুদের জন্য দই হল একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য বিকল্প।এটি শিশুদের ছয় মাস বয়স থেকেই তাদেরকে দেওয়া সঠিক ভাবে নিরাপদ বলে মনে করা হয়।এই দুগ্ধজাত পণ্যটি সম্পূর্ণ রূপে পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ এবং এছাড়াও এটি আপনার শিশুর জন্য একটি স্বাস্থ্যকর সুস্বাদু খাদ্য বিকল্প রূপেও বিবেচিত।

6. বাদাম

বাবামায়েরা প্রায়ই তাদের সন্তানদের বাদাম খেতে দিতে ইতস্ততঃ বোধ করেন বাদাম থেকে এলার্জি হওয়ার অথবা সেগুলি তাদের গলায় বিষম লাগার ভয়ে।বেশ,যদি আপনার বাচ্চা বাদামের প্রতি এলার্জি প্রবণ না হয়ে থাকে,তবে আপনি আপনার বাচ্চাকে শক্ত খাবারের সাথে পরিচয় করানোর সময়েই তাকে এগুলি খাওয়ানো শুরু করতে পারেন।গলায় আটকে বিষম লেগে যাওয়ার কারণে,বাদাম গুলিকে ভেঙ্গে ছোট ছোট টুকরো করে নিন যাতে আপনার ছোট্ট সোনা সেগুলিকে সহজেই চিবোতে এবং গিলে ফেলতে পারে।

7. দানাশস্য

আপনার টলমল করা শিশুটির বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য তাদের দানাশস্য পরিবেশন করা অপরিহার্য।আপনি অল্প পরিমাণে গমের আটা,বাজরা,রাগি,মিলেট এবং রাজগিরা আটার সাথে আপনার ছোট্ট মাণিকটির পরিচয় করাতে পারেন।

8. বিনস বা মটরশুটি

14 সপ্তাহ বয়সী শিশুদের অন্য আরেকটা স্বাস্থ্যকর জলখাবারের বিকল্প হল মটরশুটি।যদি আপনার বাচ্চা রাজমা খেতে পছন্দ করে,তবে তাকে এক দিনে তিন টেবিল চামচ করে রাজমা খেতে দিতে পারেন।রাজমার মধ্যে সঠিক পরিমাণে ক্যালোরি থাকে এবং কোনও ফ্যাট থাকে না,যা সেগুলিকে আপনার শিশুর জন্য পুষ্টির মহা উৎসে পরিণত করে।

13-16 মাস বয়সী শিশুর খাওয়ার চার্ট / খাওয়ার সময়সূচী

আপনার সন্তানের জন্য খাওয়ার একটা চার্ট বানানো মোটেই খুব একটা সহজ কাজ নয়।এখানে একটি চার্ট বা তালিকা দেওয়া হল যেটি আপনাকে পথ দেখাবে।এটি আপনি আপনার বাচ্চার পছন্দ অনুযায়ী নিজের মত করেও করতে পারেন।

ভোরবেলা প্রাতঃরাশ মাঝ সকাল মধ্যাহ্ণভোজ বিকাল নৈশভোজ
1/2 অথবা 1 কাপ দুধ ওটস/আপেল মণ্ড

অথবা

ডিম ভাজা/আপেল মণ্ড

অথবা

সম্পূর্ণ শস্য অথবা হোল গ্রেইন মাফিন

সবজির ফালি

অথবা

তরমুজ কোরা

অথবা

প্যানকেক

ভাত এবং ডাল

অথবা

রাগি ইডিলি

ফল

দই

অথবা

রাজমা

অথবা

সবজির ফালি

অথবা

ফল

ভাত এবং দই

অথবা

চটকানো আলু 

13-16 মাস বয়সী টডলার পদাধিকারী শিশুদের জন্য ঘরে রান্না করা কিছু পদ

ঘরে রান্না করা পদ গুলি হল স্বাস্থ্যকর পথ্য।এখানে কিছু স্বাস্থ্যকর ঘরোয়া পদের রেসিপি উল্লেখ করা হল আপনি সেগুলি করার চেষ্টা করতে পারেন।

1. রাগি ইডলি

এটি হল ভারতীয় একটি স্বাস্থ্যকর রান্না 16 মাস বয়সী শিশুর জন্য।এটা ভালো করে রান্না করা বেশ সহজ।

উপকরণ :

10 টি ইডলির জন্য

  • ইডলি দ্রবণ (গেঁজিয়ে ওঠা)-2 কাপ
  • রাগির আটা-1/2 কাপ
  • তেল– 1 টেবিল চামচ
  • উষ্ণ গরম জল-1/4 কাপ + 2 টেবল চামচ
  • নুন স্বাদ অনুযায়ী

কীভাবে প্রস্তুত করবেন :

  • একটা বাটির মধ্যে রাগির আটাটির সাথে উষ্ণ গরম জল মিশিয়ে একটি ঘন পেষ্ট তৈরী করুন।
  • একবার পেষ্টটি ঘন হয়ে উঠলে,এটিকে ইডলির দ্রবণের সাথে মিশ্রণ করুন এবং সামান্য লবণ যোগ করে ভাল করে নাড়তে থাকুন।
  • 20 মিনিটের জন্য একপাশে এটিকে রেখে দিন।
  • এরমধ্যেই,একটা স্টিমারের মধ্যে করে জল ফুটান এবং ছাঁচটির মধ্যে তেলের প্রলেপ দিন।
  • এইবার সেই দ্রবণ বা ব্যাটারটিকে ছাঁচের মধ্যে ঢালুন।
  • ইডলি স্ট্যাণ্ডটিকে স্টীমারের মধ্যে রাখুন এবং 10 মিনিটের জন্য এটিকে বাষ্পীভূত হতে দিন।
  • গরম গরম পরিবেশন করুন।

2. সবেদা পিউরি বা মণ্ড

সবেদা মিষ্টি স্বাদের এবং এর আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্যকর উপকারীতা আছে।আপনার টলমল করা সোনাটি ঠোঁটে লেগে থাকা সবেদাটির শেষ বিন্দু পর্যন্ত খেয়ে শেষ করে ফেলবে!

উপকরণ :

2 ½ এর জন্য

  • সবেদা-1

কীভাবে প্রস্তুত করবেন

  • ফলটিকে অর্ধেক করে কাটুন এবং বিজ মুক্ত করুন।
  • একটা কাটা চামচ ব্যবহার করুন,প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য অনুযায়ী এটাকে চটকে নিন।
  • এর সাথে সামান্য পরিমাণে বুকের দুধ অথবা গরুর দুধ মেশান।

3. ওট চিলা

উপকরণ : 6 টি চিলার জন্য (শিশুর জন্য)

  • ওট-1 কাপ,গুঁড়ো করা পাউডার রূপে
  • ছোলার ব্যাসন-1/4 কাপ
  • জিরা গুঁড়া-1 চা চামচ
  • হলুদএক চিমটি
  • গাজর-1/4,কুঁড়ানো
  • পিঁয়াজ-1
  • কাঁচা লঙ্কা-2 টি,কুঁচানো
  • প্রয়োজন মত জল
  • তেল/ঘি

কীভাবে প্রস্তুত করবেন

  • একটা বাটির মধ্যে ওটের পাউডারের বা গুঁড়ার সাথে অন্যান্য উপকরণ গুলি যোগ করুন।এটির সাথে আপনার প্রয়োজন মত জল যোগ করুন এবং ভালো করে মিশিয়ে সেটিকে সামঞ্জস্যানুযায়ী একটা ব্যাটারের রূপ দিন।
  • একটা চাটুর উপর তেলের প্রলেপ লাগিয়ে সেটাকে গরম করুন।
  • প্যানটির উপরে এক হাতা ব্যাটার ছড়িয়ে দিন এবং সেটিকে রান্না হতে দিন।
  • এটিকে টোকা মেরে দেখুন যাতে উভয় দিকই ভালোভাবে রান্না হয়েছে কিনা

4. পাস্তা ক্ষীর

উপকরণ :

  • দুধ – 2 কাপ
  • পাস্তা – 3/4 কাপ
  • গুরের সিরাপ– 1/4 কাপ
  • সবুজ ছোট এলাচ-2
  • চাল গুঁড়ো-1 1/2 কাপ মিশান 1/4 কাপ দুধ বা জলের সাথে
  • ঘি
  • কাজু বাদাম

কীভাবে প্রস্তুত করবেন

  • একটা পাত্রের মধ্যে জল ফুটান,তার মধ্যে পাস্তা গুলিকে মেশান এবং কয়েক মিনিটের জন্য রান্না হতে দিন।
  • জলটাকে ঝরিয়ে একপাশে রাখুন।
  • একটা কড়াই নিয়ে কাজু বাদাম গুলিকে ঘিয়ে ভেজে নিন।একবার ভাজা হয়ে গেলে কড়াইটি খালি করে একটা বাটির মধ্যে ভাজা কাজু গুলিকে রাখুন।
  • কড়াইয়ের মধ্যে দুধ ঢেলে দিন এবং তার সাথে রান্না করা পাস্তা গুলিকে যোগ করুন।এরপর কিছুক্ষণের জন্য আঁচ কমিয়ে রাখুন।
  • অন্য আরেকটি বাটিতে,চাল গুঁড়ো,দুধ এবং জল ভালো করে মেশান।
  • এটিকে ধীরে ধীরে কড়াইয়ের মধ্যে ঢালুন।উপকরণ গুলি যখন রান্না হতে থাকবে সেগুলিকে নাড়তে থাকুন।
  • ক্ষীর টিকে ঘন হতে দিন।এলাচ দানার খোসা গুলিকে ছাড়িয়ে গুঁড়ো করে নিন।
  • গুড়ের সিরাপটি এর সাথে যোগ করে সেটিকে রান্না হতে দিন।

5. ওভেনেভাজা সবুজ বিনস বা মটরশুটি

উপকরণ :

  • সবুজ বিনস বা মটরশুটি (ঘনকাকার)-1 কাপ
  • এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল-2 চা চামচ
  • লবণ স্বাদ মত

কীভাবে প্রস্তুত করবেন

  • ওভেনটিকে আগে থেকে 425 ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে গরম করে রাখুন।
  • ওভেনটির মধ্যে জেলিরোলটিকে রাখুন 10 মিনিটের জন্য।
  • বাটির মধ্যস্থ বিনসগুলির সাথে এক চিমটি নুন এবং সামান্য তেল যোগ করুন।বিনস বা মটরশুটির মিশ্রণটিকে একটা বেকিং ট্রের উপরে একটা স্তরে রেখে সেটাকে 8 মিনিট ধরে বেক করুন যতক্ষন না সেটি কুড়মুড়ে আর নরম হয়।

টডলার পদাধিকারীদের খাওয়ানোর জন্য কিছু পরামর্শ (13-16 মাস)

অতিরিক্ত সময় ধরে,আপনি লক্ষ্য করতে পারেন যে,আপনার শিশুটি তার খাদ্যের ব্যাপারে একটু বেশী উদাসী ও ব্যস্তবাগীশ হয়ে ওঠে।ভয় পাবেন না,আপনার শিশুটি কোনও ব্যতিক্রম একজন নয়।অনেক বাচ্চাই তাদের খাবারের ব্যাপারে একটু খুঁতখুঁতে হয়ে ওঠে।এই পরামর্শগুলির মধ্যে একটা বিশাল পার্থক্য নাও থাকতে পারে কিন্তু এগুলি তার খাওয়ার অভ্যাসের অবশ্যই কিছু উন্নতি ঘটাবে।

  • যদি খাবারটি আকর্ষণীয় হয়,আপনার বাচ্চা সেটিকে উল্লাসের সাথে খেয়ে ফেলবে!ছোট্ট সোনাটি আমাদের মতই সুন্দর জিনিসের দ্বারা আকৃষ্ট হয়।সুতরাং আপনি যদি স্যান্ডউইচ বানান তবে একটা কুকি কাটার ব্যবহার করুন সেগুলিকে কেটে একটা সুন্দর আকার দেওয়ার জন্য।
  • আপনার ছোট্ট সোনাকে কখনই অতিরিক্ত বেশী বা কম খাওয়াবেন না।
  • জোর পূর্বক আপনার সন্তানের মুখের ভিতরে খাবার ঢোকাবেন না।তার বদলে তাকে নিজেকে খাওয়ার অনুমতি দিন।
  • উচ্চ মিষ্টি উপাদান যুক্ত খাবার অথবা অনেক মিষ্টি আপনার বাচ্চাকে দেওয়া এড়িয়ে চলুন।
  • যখন আপনি আপনার ছোট্ট টলমলমানকারীর জন্য একটা খাদ্য পরিকল্পনা করেন,সেটিকে আরও বেশী আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য তার সাথে নানা ধরনের খাদ্যপদ যোগ করুন।যখন আপনার বাচ্চা দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজের জন্য কি খাবার আছে তা জানতে পারে,সে তখন তার খাবারের প্রতি নিরুৎসাহ হয়ে ওঠে।
  • 13-16 মাসের মধ্যে বাচ্চাদের কেবলমাত্র স্বাস্থ্যকর ও সমৃদ্ধ খাবারই অবশ্যই দিতে হয়।তার খাবারের মধ্যে তাজা ফল ও কাঁচা সবজিকেও যোগ করুন।আগে থেকে শুরু করলে আপনি একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরী করতে পারেন।

আপনার শিশুর দেহ অনবরত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে এবং পরিবর্তিত হয়ে চলেছে,সুতরাং সঠিক খাদ্য খাওয়া তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।একটা স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা অনুসরণ এবং তার খাদ্যকে উপভোগ করার অনুমতি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সাথে তার সুস্বাস্থ্যকেও স্থাপন করবে।